Saturday, 11 April 2015

আপনি যদি গুগল ক্রোম ব্যবহার করে ওয়েবসাইট দেখেন, তবে কিছু কৌশল প্রয়োগ করে আরও সহজে দ্রুত কাজ করতে পারবেন। গুগল ক্রোমের আছে কিছু শর্টকাট এবং লুকানো বৈশিষ্ট্য।
অটো প্লে বন্ধ: ইউটিউব, ভিমিও, পেন্ডোরার মতো ওয়েবসাইটের ভিডিও বা ফ্ল্যাশ ফাইল যদি আপনাআপনি চলতে থাকে, তবে সেটি বন্ধ করে নিন। এ জন্য ক্রোম চালু করে ব্রাউজারের অমনিবক্সে (অ্যাড্রেস বার)chrome://settings/content লিখে এন্টার চাপুন। Content Settings খুলে যাবে। এর নিচে এসে Plug-ins বিভাগের Click to play নির্বাচন করে দিন। তবে কোনো ভিডিও আর স্বয়ংক্রিয় চালু হবে না, ফলে ইন্টারনেটের মেগাবাইটও সাশ্রয় হবে।
ইনকগনিটো মোড: ইনকগনিটো মোড একটি ব্যক্তিগত ব্রাউজিং সুবিধা। আপনি যদি ইনকগনিটো মোডে ব্রাউজ করেন তবে হিস্ট্রি, কুকিজ, ডাউনলোডের কোনো তথ্য ব্রাউজারে থাকবে না। কাজ শেষে সব মুছে যাবে। ক্রোম ব্রাউজার চালু করে Ctrl + Shift + N চাপলে এটি খুলবে। আবার ক্রোমের Settings-এ গিয়ে New incognito Window-এ ক্লিক করলেই হবে। এ ছাড়া যেকোনো লিঙ্কের ওপর ডান ক্লিক করে open link in incognito window খুললে ওই সাইটের কোনো রেকর্ড ব্রাউজার জমা করবে না। একইভাবে এই সুবিধা ব্যবহার করে আপনি একই ব্রাউজারে দুটি আলাদা ই-মেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবেন। আপনার যদি দুটি আলাদা ই-মেইল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে ক্রোমে সেটি চালু থাকা অবস্থায় ইনকগনিটো মুডে আরেকটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। 
সহজ ব্রাউজিং: ওয়েব ব্রাউজারে কোনো তথ্য খুঁজতে গিয়ে নতুন কোনো বিষয় চোখে পড়ল এবং সেটি সম্পর্কেও জানতে চাইছেন। এমন হলে হয়তো সেই বিষয়টা আবার আরেকটা ট্যাবে লিখে সার্চ করতে চাচ্ছেন। থামুন ! আলাদা ট্যাব খুলে সার্চ না করে সেই বিষয়ের লেখাগুলো নির্বাচন করে ডান ক্লিক করে Search Google for-এ ক্লিক করলে আলাদাভাবে গুগল সাচের্র সুবিধা পেয়ে যাবেন।

Sunday, 22 March 2015

What are the spending/ATM withdrawal limits of Payoneer Prepaid Card?

The daily spending limit of your Payoneer card is $5,000. You can withdraw up to $2,500 at an ATM, and use up to $2,500 for purchases. Daily usage limits are set in accordance with regulations set by Payoneer, MasterCard, and our regulators and cannot be changed.
Please keep in mind that specific ATMs may impose withdrawal limits of their own.

Payoneer Pricing and Fees:



Saturday, 7 March 2015

১. কভার লেটার অবশ্যই নিজে লেখা উচিত। বন্ধু কিংবা অন্য কাউকে এটি লেখার দায়িত্ব দেওয়া কিংবা কপি করে লেখা একদমই উচিত নয়। কেননা পরে ক্লায়েন্টের সঙ্গে ইন্টারভিউয়ের সময় এ নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
২. ভাষার দক্ষতার দিকে নজর দিতে হবে। বানান যেন ভুল না হয়। কম শব্দের মধ্যে বিস্তারিত তুলে ধরতে হবে। ক্লায়েন্টদের সময় কম থাকে বলে বড় কভার লেটার পড়ার সময় থাকে না তাদের। তাই ছোট রাখা ভালো।
তবে ক্লায়েন্ট যেন সম্পূর্ণ কভার লেটার পরে আপনার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৩. একই কথা কভার লেটারে বার বার ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়। এতে ক্লায়েন্ট বিরক্ত হবেন।
৪. কভার লেটারে হাই কিংবা হ্যালো দিয়ে শুরু করা ভালো। স্যার কিংবা ম্যাডাম ব্যবহার পরিত্যাগ করাই ভালো।
৫. যে কাজের জন্য অ্যাপ্লাই করেছেন সেই রকম কাজের ডেমো কভার লেটারে যুক্ত করে দিতে হবে। যাতে ক্লায়েন্ট সহজে বুঝতে পারে আপনি কাজটি করতে পারবেন।
৬. কাজটি নিয়ে ক্লায়েন্টকে পরামর্শ দিন। ক্লায়েন্ট যেভাবে কাজটি চাচ্ছে সেটির চেয়ে আরও ভালো কিছুর পরামর্শ দিন। কেন অন্যভাবে করলে সুন্দর হবে সেটি সংক্ষেপে তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে। তাহলে ক্লায়েন্ট বুঝতে পারবে আপনি কাজটি সম্পর্কে এক্সপার্ট। সেক্ষেত্রে কাজ পাওয়ার সম্ভবনা বেশি।
৭. কখনো ই-মেইল, স্কাইপে এবং ইয়াহু আইডি কভার লেটালে দেওয়া যাবে না। যদি ক্লায়েন্ট নক করে শুধু তাহলেই দেওয়া উচিত।
৮. অনেকে কভার লেটারে নিজের গুনগান বেশি করেন এবং কাজটি তার একান্ত দরকার এ রকম আকুতি মিনতি করেন। এগুলো পরিহার করতে হবে।
৯. ধন্যবাদ দিয়ে নিজের নাম উল্লেখ করে কভার লেটার শেষ করতে হবে।
১০. সব সময় একই কভার লেটার না লিখে কাজের ধরণ অণুযায়ী তা পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন:
আউটসোর্সিংয়ের বিভিন্ন কাজে প্রায়ই বিভিন্ন বিষয়ের ছবি দরকার হয়। বিশেষ করে ফটোশপ, ওয়েবসাইট ডিজাইন, পাওয়ার পয়েন্ট ও মাইক্রোসফট অফিস, লোগো তৈরির মতো কাজ ছবি ছাড়া হয় না বললেই চলে। তবে কাজের সময় ছবি পেতে অনেক ঝামেলা হয়। বিশেষ করে কপিরাইটবিহীন ছবি।
ইন্টারনেটের অবারিত দ্বার থেকে হয়ত একটু সার্চ করলেই যে কোনো বিষয়ের ছবি মিলবে। কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় অনলাইন সার্চ করে ছবি ব্যবহার করলে বিপাকে পড়তে হতে পারে।
কেননা পেশাদার কাজে অন্যের কপিরাইট করা ছবি ব্যবহার করলে আর্থিক দণ্ডসহ নানান ঝামেলায় পড়তে হবে। কপিরাইটের ছবি অনুমোদন ছাড়া ওয়েবসাইটে বা অন্য কোথাও ব্যবহার করা হলে ছবির মালিক আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারেন। তিনি সাইটের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতে পারেন।
যদি গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে থাকেন তাহলে অবশ্যই কপিরাইটের ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করলে আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টটি ব্যান হতে পারে। তাই অবশ্যই কপিরাইট মুক্ত ছবি ব্যবহার করা উচিত।
তবে জরুরি কাজের সময় এমন ছবি পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে। তবে কিছু সাইটে কপিরাইটবিহীন ছবি পাওয়া যায়। এমন সাইটের ঠিকানা জানাতেই এ প্রতিবেদন।
কপিরাইটমুক্ত ছবি ডাউনলোডের অনেক ওয়েবসাইটের মধ্যে থেকে  বাছাই করা সেরা ১০ সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো এখানে।
সাইদুর মামুন খান, কান্ট্রি ম্যানেজার, ইল্যান্স-ওডেস্ক :  যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সবকিছুরই পরিবর্তন হয়। এক সময় ব্যবসা বাণিজ্য বলতে এক শহর থেকে আরেক শহরে যেত মানুষ। কখনও জাহাজে করে এক-দুই বছরের জন্য চলে যেত সামান্য ব্যবসার প্রসার করার জন্য। আর এখন একই ধরণের কাজ কয়েকটি ফোন কল অথবা ইমেইলে করে নেয়া যাচ্ছে।
তেমনি একটি বড় পরিবর্তনের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা – সেবামূলক কাজের বিশ্বায়ন। যদিও বিষয়টি এখনও অনেক নতুন, তবে ধীরে ধীরে এখন অনেক প্রতিষ্ঠান নিজের কর্মক্ষেত্রের বাইরে থেকে কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়ে অনেক কাজ করিয়ে নিচ্ছে।
এরকম বাজারে নিজেকে তুলে ধরতে হলে অবশ্যই নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের একজন পেশাজীবী হিসেবে তৈরি করতে হবে। আজকে এরকমই কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করবো – আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য কাজের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে আর কি কি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।
লক্ষ্য নির্ধারণ করা
বিষয়টি খুবই সহজ মনে হলেও আসলে বেশ কঠিন। আমরা অনেকেই মনে করি মোটামুটি একই রকম একটি কন্ট্রাক্ট বা জব হলেই চলল, যেটা আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে করা সম্ভব। কিন্তু বিশ্বে একদম “অভিজ্ঞ” ব্যক্তিদের থেকে “বিশেষজ্ঞ” ব্যক্তিদের কদর বাড়ছে।
ক্যারিয়ারের লক্ষ্য নির্ধারণ করার সময় চিন্তা করুন আপনি কি ধরণের কাজ করতে চান এবং কোন ইন্ডাস্ট্রিতে করতে চান? মনে করি আপনি মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চান।
এখন এয়ারলাইন্স ইন্ডাস্ট্রির মার্কেটিং আর ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রির মার্কেটিং কিন্তু একই রকম হবে না। তাই আপনাকে শুধু কাজ না, কাজের ক্ষেত্র নিয়েও ভাবতে হবে।
তাছাড়া ‘মার্কেটিং’ জিনিসটাও আসলে অনেক বিশাল হয়ে যায়। তাই আরো ফোকাস করে কোন বিষয় নিয়ে নিজেকে তৈরি করতে হবে এবং সেভাবেই নিজেকে এগিয়ে নিতে হবে।
মার্কেটে প্রতিযোগিতা বুঝতে পারা
আমরা অনেক সময় যেটা করি সেটা হল আগে নিজেকে তৈরি করি, তারপর ভাবি যে এবার দেখবো আমার স্কিলের কোথায় চাহিদা আছে। বিষয়টি উল্টো হওয়া উচিত।
ধরে নিচ্ছি আপনি একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে কাজ করতে চান। আপনাকে বুঝতে হবে এই মুহূর্তে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের বাজার কেমন। এমন কোনো দেশ বা ইন্ডাস্ট্রি আছে কিনা যেখানে এই সার্ভিসটার জন্য যোগানের চেয়ে চাহিদা অনেক বেশি।
আগে দেখুন প্রথাগত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসে কোন জায়গাগুলোতে ক্লায়েন্টকে নতুন কিছু দেয়ার সুযোগ আছে । তারপর দেখুন সেরকম উইনিক কোন সার্ভিস নিয়ে বাজারে অগ্রসর হওয়া যায় কিনা।
পেশাদার উপস্থাপনা বজায় রাখা এবং বিশ্ব সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান রাখা
যখন নিজের পোর্টফলিও বা প্রোফাইল সাঁজাবেন তাতে অবশ্যই চেষ্টা করবেন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব রাখতে। খেয়াল রাখবেন, আপনি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করছেন।  তাই শুধু বাংলাদেশেই চলে এমনভাবে উপস্থাপন করলে হয়তো বা অন্য আরেকটি দেশের ক্লায়েন্টের কাছে আপনি গ্রহণযোগ্য হবেন না।
এক্ষেত্রে আপনি অনলাইনে সার্চ করে বিভিন্ন দেশের বিজনেস কালচার নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। কাউকে সম্বোধন করা নিয়ে, হাসি ঠাট্টা করা নিয়ে, কিছু অনুরোধ করা নিয়ে অনেক কিছু জানার আছে যেগুলো একেক দেশে একেক ভাবে করা হয়ে থাকতে পারে। এগুলো জানতে হবে।
যারা অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে কাজ করতে চান তারা নিজেদের প্রোফাইল (যেমন ওডেস্ক প্রোফাইল হয়ে থাকে) সাজানোর সময় এই বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন। খেয়াল করবেন, আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত বায়োডাটা আর আন্তর্জাতিক একটি প্রোফাইল কিন্তু এক জিনিস না।
‘না’ বলতে জানা
এই বিষয়টি খুব বেশি আলোচনা না হলেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ‘না’ বলতে জানা। অনেক সময়ই ক্লায়েন্ট আপনাকে এমন কোন কাজ করতে বলতে চাইতে পারে যেটা আপনার পক্ষে সম্ভব না। অথবা আপনি কোন একটি কারণে করতে চাচ্ছেন না।
এরকম ক্ষেত্রে না বলতে শিখুন।  তবে সেটা অবশ্যই বিনয়ের সাথে। ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ হাতে নিয়ে খারাপ কাজ দেয়ার থেকে কাজ না নেয়াই ভালো । এতে আপনারও সুনাম নষ্ট হবে না আরা যারা আপনাকে দিয়ে কাজ করাতে চেয়েছিল তারও কোন ক্ষতি হবে না।
গ্রাহক সেবায় জোর দেয়া
আমরা অনেকেই কোন কাজ শেষ হওয়ার পর ক্লায়েন্টের সাথে আর কোন যোগাযোগ রাখি না। চেষ্টা করুন এটা ঠিক করার। ধরুন আপনি কারও একটি কাজ করে দিলেন।
সপ্তাহ দুয়েক পর একটি ইমেইল দিয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারেন যে আপনার কাজ দিয়ে তার আসলেই উপকার হয়েছিল কিনা? না হয়ে থাকলে আপনি সেই কাজটির বিষয়ে কোন সার্ভিস দিতে পারবেন কিনা।
প্রয়োজনে টুকটাক কিছু ঠিক করতে হলে বিনামূল্যেই করে দিন। তাহলে ক্লায়েন্টের সাথে খুব ভালো একটি সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন এবং হয়তো তার রেফারেন্স এবং রেকমেন্ডেশনে আরও কাজ পাবেন। এছাড়া বিশেষ দিনগুলোতে ক্লায়েন্টের শুভেচ্ছা ইমেইল পাঠাতে পারেন।
আন্তর্জাতিক কাজের বাজারে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের চাহিদা বেড়েই চলছে এবং তার সাথে পেশাজীবীদের আনাগোনাও বাড়ছে। তাদের মধ্যে নিজেকে আলাদা করে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই সবার থেকে ভালো কিছু করতে হবে। আশা করছি আজকে আলোচনা করা টিপসগুলো আপনাদের সেভাবেই কাজে আসবে।
লেখক একজন বিপিও কনসাল্টেন্ট, যিনি প্রায় ৭ বছর ধরে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং এবং আইসিটি সার্ভিস মার্কেটিং সেক্টরে কাজ করছেন। ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে সাইদুর ইল্যান্সে বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন এবং ২০১৪ সালে ইল্যান্স এবং ওডেস্কের মার্জারের পর থেকে বাংলাদেশ ইল্যান্স-ওডেস্কের সকল কার্যক্রমের দায়িত্বে আছেন।

Sunday, 1 March 2015

এখন আপনার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী? ‘জেট ল্যাগ’—হেসে এক কথাতেই বলে ফেলেন জিমি ওয়েলস, মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং এই বিশ্বকোষ পরিচালনাকারী সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। জেট ল্যাগ মানে বিমানভ্রমণজনিত ক্লান্তি তাঁর তো থাকবেই। উইকিপিডিয়া নিয়ে ঘুরে বেড়াতে হয় পৃথিবীর এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। বাংলা উইকিপিডিয়ার দশ বছর পূর্তির চূড়ান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি জিমি ওয়েলস প্রথমবারের মতো এসেছিলেন ঢাকায়। মাত্র দশ ঘণ্টার এ সফরে অনুষ্ঠানের ফাঁকেই কথা হয় তাঁর সঙ্গে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন পল্লব মোহাইমেন 
jimmy wales
  1. Jimmy Donal "Jimbo" Wales is an American Internet entrepreneur best known as the co-founder and promoter of the online non-profit encyclopedia Wikipedia and the for-profit Wikia web-hosting company.Wikipedia 

উইকিপিডিয়ার শুরুটা কীভাবে হলো? অনুপ্রেরণাই বা কী ছিল?
জিমি ওয়েলস: মুক্ত বিশ্বকোষের একটা চিন্তা আমার মাথায় সব সময়ই ছিল। এই গ্রহের মানুষ যাতে মাতৃভাষায় বিনা মূল্যে জ্ঞানভান্ডারে প্রবেশ করতে পারে, এমন কিছু করার কথা ভাবছিলাম। ১৯৯৯ সালে দেখলাম মুক্ত সফটওয়্যার অর্থাৎ ওপেনসোর্সের প্রোগ্রামাররা একত্র হয়ে অনেক কাজ করছে। ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের কাজও দেখি। জিএনইউ লিনাক্স, অ্যাপাচির কাজ দেখে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি। আর বিশ্বকোষ ছিল আমার পছন্দের কাজ। এরপর উইকি সফটওয়্যারটি তৈরি করি। ওপেন সোর্সের ধারণাটা আমি এখানে প্রয়োগ করেছি। ২০০১ সালে চালু হয় উইকিপিডিয়া।
অ্যালেক্সার হিসাব অনুযায়ী এখন ইন্টারনেটে জনপ্রিয়তার দিক থেকে ছয় নম্বরে উইকিপিডিয়া। এটা কোনো বিনোদনের ওয়েবসাইট বা সার্চ ইঞ্জিন নয়। এ রকম একটা সাইট এত জনপ্রিয় কেন?
জিমি: তথ্য ও জ্ঞান আসলে মানুষের মৌলিক চাহিদার একটি। তথ্য জানতে আগে রেডিও শুনত সবাই। মানুষের তথ্যের প্রয়োজন আসলে সব সময়ই হয়। উইকিপিডিয়ায় সহজেই তথ্য পাওয়া যায়। এটাই জনপ্রিয়তার কারণ বলে মনে হয়।
উইকিপিডিয়া বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের সূত্র বা উৎস হিসেবে এখনো স্বীকৃত নয়। এ ব্যাপারে আপনার মত কী?
জিমি: এটা সত্য। গবেষণার জন্য ঠিক আছে, তবে মান আরও বাড়াতে হবে। এখানে যে কেউ যেকোনো তথ্য যেমন পান, তেমনি তথ্য যোগও করতে পারেন। আমাদের সম্পাদকেরা সম্পাদনা করার পর কোনো নিবন্ধ প্রকাশ পায় বা তথ্য যোগ হয়। তার পরও কিছু সমস্যা এখনো রয়েছে। এ অবস্থার উন্নয়নে আমরা কার্যকর পদ্ধতি বের করার উদ্যোগ নিচ্ছি।
এই সময়ে সফল কোনো উদ্যোগের জন্য কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ—আইডিয়া না পুঁজি?
জিমি: অবশ্যই আইডিয়া। সৃজনশীল কোনো ধারণা প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ সফল করে তুলতে পারে।
ইন্টারনেটে আপনার নামে পাশে ‘অনলাইন বিলিয়নিয়ার’ পরিচয়টাও পাওয়া যায়...
জিমি: হাহাহা। এটা কীভাবে সম্ভব! উইকিপিডিয়া একটি অলাভজনক উদ্যোগ। আর আমার নিজেরও অত টাকাকড়ির দরকার নেই।
ইন্টারনেট ডট অর্গ নিয়ে ভাবনা কী?
জিমি: ইন্টারনেট ডট অর্গ নিয়ে আমি আশাবাদী। যদিও অনেকেই এর উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ করে। কিন্তু আমার ধারণা এটি শেষ পর্যন্ত সাধারণের কাছে ইন্টারনেট সহজলভ্য করবে।
বিভিন্ন দেশে মাঝেমধ্যে উইকিপিডিয়ার ওপর সেন্সরশিপ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এ সম্পর্কে কী মনে করেন?
জিমি: আমরা সব সময় এটার বিরোধিতা করি। আমরা মনে করি, মুক্তজ্ঞানের প্রবেশাধিকারে কোনো বাধা দেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে, উইকিপিডিয়ার মতো বিশ্বকোষীয় নিবন্ধগুলো কিন্তু কারও মতের প্রকাশ নয়। এটি মূলত তথ্যভান্ডার, যেখানে ব্যক্তিগত মতের প্রতিফলন থাকে না। তাই আমরা মনে করি এভাবে প্রবেশাধিকার আটকে দেওয়াটা ঠিক নয়।
উইকিলিকসের সঙ্গে উইকিপিডিয়ার কি কোনো সম্পর্ক আছে?
জিমি: নামের প্রথম অংশের মিল ছাড়া আর কোনো সম্পর্ক নেই। সংবাদমাধ্যমের এ ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকা দরকার। তা না হলে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
উইকিপিডিয়ার জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ কী?
জিমি ওয়েলস: সবার কাছে পৌঁছানো। সমস্যা ও সম্ভাবনা দুটোই এখন মোবাইল ফোন। মোবাইলের জন্য হালকা সাইট বানাতে হয়। সবার কাছে আবার স্মার্টফোন নেই। উইকিপিডিয়া জিরো থেকে আমরা বিনা মূল্যে সবাইকে যুক্ত করতে চাচ্ছি। গুগলের নলেজ গ্রুপ হওয়ার পর শুরুতে আমাদের সাইটে কিছুটা প্রভাব পড়েছিল। তবে এখন আর এই সমস্যা নেই।
উইকিপিডিয়া কীভাবে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষদের ক্ষমতায়ন ঘটাতে পারে?
জিমি ওয়েলস: বাংলাদেশের মতো দেশে গরিব জনগণের কাছে ইন্টারনেটকে নিয়ে যাওয়াটাই যথেষ্ট নয়। এর জন্য দরকার ইন্টারনেটে সবার জন্য নানা ধরনের বিষয়বস্তু বা কনটেন্ট রাখা। উইকিপিডিয়া হচ্ছে সবাই মিলে ভালো কনটেন্ট সবার জন্য সহজলভ্য করার একটা জায়গা। আপনাদের মতো দেশের জন্য এটা বেশ উপকারী। তবে কাজটা আপনাদেরই করতে হবে। আমরা শুধু জায়গাটা দিচ্ছি।

Thursday, 19 February 2015

যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতে চায় এবং অনেক দিন বিড করেও কোন কাজ পচ্ছেনা তাদের অনেকে আমার কাছে জানতে চায় কিভাবে বিড করব। কিভাবে সহজে কাজ পাওয়া যায়। তাদের জন্য আমার এই Article । আশা করি নতুনদের জন্য এই Article-টি অনেক সহায়ক হবে।
১) Profile : আপনার প্রোফাইল ১০০% করুন।
২)Profile Picture: Professional মানের Profile picture অ্যাড করুন।
৩) Profile Title: আপনার প্রোফাইলে Profile রিলেটেড সুন্দর একটি Title দিন।
৪) Overview : সুন্দর একটি Overview লিখুন।
৫) Skill Test: বেশী বেশী স্কিল টেস্ট যুক্ত করুন।
৬) Work Sample: আপনার নিজের করা সেরা কাজগুলোর Snapshot + Link প্রোফাইলে যুক্ত করুন ।
৭) Copy না করা: কাউকে কপি করবেননা। প্রোফাইল তৈরিতেও না, কভার লেটার লিখার ক্ষেত্রেও না। নকল করার ক্ষেত্রে সাবধান। আপনার একাউন্ট পর্যন্ত বাদ হয়ে যেতে পারে।
৮) Bid করা: নতুন কাজে বিড করুন। ৪ থেকে ৫ জনকে ইতিমধ্যে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়ে গেলে সেই কাজটি পাওয়ার সম্ভবনা খুবই কম ।
৯) Job Post হওয়ার সাথে সাথে বিড করুন ।
১০) আপনি প্রোফাইলে যেটিতে দক্ষ উল্লেখ করেছেন, সে ধরনের কাজগুলোতে বিড করুন। যেটি বিড করতে চাচ্ছেন, সেটি প্রোফাইলে না থাকলে কাজটি পাবেননা।
১১) Feedback: শুরুতে ছোট ছোট কাজ করে ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন। কিন্তু Fake উপায়ে ফিডব্যাক সংগ্রহ করার কোন রকম চেষ্টা করবেন না।
১২) কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টকে কোন রকম ইমোশনালি আকর্ষণ করবেন না বা ভিক্কা চাইবেন না , তাহলে কাজ পাবেননা।
১৩) বিডিং রেট বাজার রেটের চাইতে অস্বাভাবিক কমালে কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাতে আপনার ব্যাপারে নেগেটিভ ধারনা পাবে।
১৪) বিড শুরু করার আগে বায়ারের রেটিং, পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা চেক করে নিন।
১৫)কাভার লেটারের ভিতর Email ID, Skype ID বা Facebook ID দিবেন না।
১৬) Job description: পুরো Job description-টা ভালভাবে পড়ুন তারপর বিড করুন।
১৭) আপনার পোর্টফোলিও নিয়মিত Update করুন।
১৮) অবশ্যই আপনার Skype ID রেডি করুন।
১৯) ধৈয্য ও অধ্যাবসায় খুব জরুরী। একদিনে কাজ পাওয়ার আশা না করে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
আর অবশ্যই যে বিষয়টি সব সময় মাথায় রাখবেন, তা হল আপনার কাজের মান(Quality) বজায় রাখুন এবং কাজের ক্ষেত্রে নিয়মিত Update থাকুন।